শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ     সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার     বিএসএফ সদস্য নিহতের ঘটনা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     সমাধান হওয়া ইস্যু হালে পানি পাবে না: ঐক্যফ্রন্টকে ড. হাছান মাহমুদ     বাংলাদেশে ফুটবলের কাছে ক্রিকেট পাত্তাই পাবে না : ফিফা সভাপতি     ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা     ভ্যাট চালানপত্র ৫ বছর সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর     নবম জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর সংকলনের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর    

সব ডিজিটালাইজ হওয়ায় দুর্নীতি কমছে: সজীব ওয়াজেদ জয়

  জুলাই ১১, ২০১৯     ৪১     ১২:১০ অপরাহ্ণ     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সবকিছু ডিজিটালাইজ করাতে দুর্নীতির সুযোগ আস্তে আস্তে কমে আসছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতেই আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারি। সবকিছু ডিজিটালাইজ হয়ে গেলে দুর্নীতির সুযোগ থাকে না। দেশকে দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোপানে নিয়ে যেতে হলে পুরনো আইনকানুনে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ : সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’- শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। সংসদ সদস্যদের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে ধারণা দিতে এ কর্মশালার আয়োজন করেছে জাতীয় সংসদ। এতে সহযোগিতা করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশনের ১০ বছর হয়েছে। আপনাদের হয়তো একটু জানা উচিত, আমাদের অগ্রগতি কী, আমাদের দেশে এখন কী কী সুযোগ-সুবিধা আছে? কী কী করা যায় বা কী কী করা সম্ভব? আপনার নতুন নতুন আইন করবেন? পলিসি করবেন? তাই এটুকু জানাতে চাই। ২০০৮ সালে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা প্রকাশ করি। তখন বাংলাদেশে ডিজিটাল বলে তো কিছুই ছিল না। তখন যদি কোনো সরকারি তথ্য বা কাগজের প্রয়োজন হতো, অফিসে অফিসে যেতে হতো। অথবা অফিসে গিয়ে বসে থাকতে হতো। ফরমের জন্য বসে থাকতে হতো। অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীদের ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে হলে সেখানে গিয়ে বা অন্য শহরে গিয়ে ফর্ম নিয়ে আসতে হতো। ফরম পূরণ করে আবার জমা দিতে হতো। এখন এসব মোবাইলেই পাওয়া যায়। আমরা ১০ বছরে এসব করতে পেরেছি। এত কম সময় খুব কম দেশ এটা করতে পেরেছে।’

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘গ্লোবালাইজেশনের যুগে আমরা নিজেদের আলাদা করে রাখতে পারি না। আমাদের অর্থনীতিকে আরও ওপেন করতে হবে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ায় বিদেশিরা ব্যবসা করতে পারে। তাতে তাদের অর্থনীতির লাভ হয়। আমাদের দেশেও তারা ব্যবসা করতে পারে। এতে আমাদের লাভ হবে। আমাদেরও কিন্তু সেদিকে যেতে হবে। সরকার কিন্তু সব কিছু করতে পারে না। সরকারের সবকিছুতে সিস্টেম লস হয়। প্রাইভেট সেক্টরে কিন্তু তা হয় না। এজন্য আমাদের নীতিমালা ও আইনের পরিবর্তন প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের টেলিকম সেক্টরে বাইরের অনেক কোম্পানি আসতে চায়। ইনভেস্ট করতে চায়। তবে আমাদের অনেকের মধ্যে একটি ধারণা রয়ে গেছে যে, বিদেশি কোম্পানি এসে খালি নিয়ে যায়। আজকে যদি বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে না আসত, আমরা থ্রিজি, ফোরজি বাস্তবায়ন করতে পারতাম না। তারা কিন্তু শুধু দেশ থেকে নিয়ে চলে যায় না। তারা কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করে।’

সংসদ-সদস্যদের প্রতি অনুরোধ রেখে জয় বলেন, আপনারা যখন বিভিন্ন ডিজিটাল প্রজেক্ট দেখতে যাবেন বা অনুমতি দেবেন তখন একটু মনে রাখবেন, আগে যেভাবে হয়েছে, সেভাবেই যে করতে হবে, তা নয়। নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাতে হয়, সেটা একটু নজর রাখবেন। প্রশাসনকে ই-ফাইলিংয়ের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘তাতে আমাদের, আপনাদের, দেশের সময় বাঁচবে। দেশের এফিসিয়েন্সি বাড়বে। এতে আমাদের অর্থনীতির ওপর ডিরেক্ট প্রভাব পড়ে। সব থেকে বড় সুবিধা হচ্ছে আমাদের দেশের মানুষের জীবনকে আরও সহজ করা। আওয়ামী লীগ সরকারের স্বপ্ন হচ্ছে দেশের উন্নয়ন করা।’

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ে আমরা বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজ করতে পেরেছি। অন্যান্য দেশের এটা করতে লেগেছে প্রায় ৩০ বছর। এর মধ্যদিয়ে প্রমাণ হয়েছে আমরা পারি। এখন অন্যান্য দেশের সঙ্গে একযোগে বাংলাদেশে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সেবা চালু হবে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত আমরা এক অভাবনীয় স্বপ্ন অর্জন করতে পেরেছি। আজ তা স্বপ্ন নয়, বাস্তব। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান রূপকার হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

উত্তরণবার্তা/এআর






 



শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ

  অক্টোবর ১৮, ২০১৯

পুরনো খবর