সাকিব-মাশরাফিদের নতুন কোচ ডমিঙ্গো     চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৬ শতাংশ ডেঙ্গু রোগী     জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিলেন     রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে জরুরি বৈঠক     হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভারত যাচ্ছে বাংলাদেশের কিশোরীরা     ঘুষ যে দেবে সেও অপরাধী : প্রধানমন্ত্রী     বিএনপি-জামায়ত চক্রের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে     আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ৬৩    

বরগুনায় অনিক হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

  আগস্ট ০৭, ২০১৯     ১৭     ১০:৫০ অপরাহ্ণ     আইন-আদালত
--

 উত্তরণবার্তা  প্রতিবেদক : বরগুনায় আলোচিত অনিক হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে এ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম সালাউদ্দিন গাজী। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলো, রুবেল সওদাগর ও নাজমুল।

আসামিদের মধ্যে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের কাঠালতলী গ্রামের আবদুস সত্তার গাজীর ছেলে সালাউদ্দিন গাজীকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সালাউদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলো না। সে পলাতক রয়েছে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, বরগুনা পৌরসভার থানাপাড়া সড়কের জামাল সওদাগরের ছেলে রুবেল সওদাগর ও বড় গৌরীচন্না গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে নাজমুল। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেতাগীর কাজিরাবাদ ইউনিয়নের চান্দখালী কলেজ গেটের শামীম আহসানের ছেলে হৃদয় আহসান, বরগুনা পৌরসভার শহীদ স্মৃতি সড়কের জানুকী রায়ের ছেলে বাদল কৃষ্ণ রায় ও থানাপাড়া সড়কের দুলাল খানের ছেলে সোহেল খানকে বেকসুর খালাশ দেওয়া হয়েছে। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার সেলিম রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পরে বরগুনা পৌরসভার শহীদ স্মৃতি সড়কের সুবল চন্দ্র রায়ের ছেলে অনিককে (১৭) কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে ডিস লাইনের তার গলায় বেধে ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অনিকের লাশ বরগুনা জেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পুরাতন ভবনের পাশে সেফটিক ট্যাংকির ভিতরে ফেলে রাখে।

অনিককে হত্যার পরেরদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অনিকের বাবা সুবল চন্দ্র রায়কে মোবাইল করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অনিক হত্যার ৩ দিন পরে তার বাবা সুবল চন্দ্র রায় বাদী হয়ে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে একাধিক আসামি গ্রেফতার হলে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার আঠারো দিন পরে ৫ অক্টোবর রাত আটটার দিকে সেফটিক ট্যাংকির ভিতর থেকে অনিকের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মামলার দীর্ঘ শুনানী ও ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রায় ঘোষণা করেছেন। সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। আসামিপক্ষে ছিলেন, বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী আসলামসহ একাধিক আইনজীবী।

উত্তরণবার্তা/এআর







 



কোরবানির মাংসের অন্যরকম হাট!

  আগস্ট ১৩, ২০১৯     ১২৯৭

বাদ পড়লেন ডু প্লেসিস

  আগস্ট ১৩, ২০১৯     ১৩২

পুরনো খবর