এডিস নির্মূলে ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান শুরু     নতুন ওষুধে ভালো কাজ হচ্ছে: সাঈদ খোকন     তিস্তা চুক্তি হবে : জয়শঙ্কর     দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক শুরু     বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতদের বিচার করতে হবে     এ অঞ্চলে বঙ্গবন্ধুর অবদান অবস্মরণীয়: জয়শঙ্কর     সমগ্র জাতি বঙ্গবন্ধুর কাছে ঋণী     বৃহস্পতিবার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী    

রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা, ৪ ডাক্তার- নার্সের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন

  আগস্ট ০৯, ২০১৯     ১৮     ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার তিন চিকিৎসক ও একজন নার্স সাক্ষ্য দিয়েছেন। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে রাফির এই চিকিৎসক ও নার্সের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়।

ফেনী জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাড. হাফেজ আহাম্মদ ও বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু জানান, আলোচিত এই হত্যা মামলায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৮৪ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ, বার্ন ইউনিটের মেডিকেল অফিসার ডা. ওবায়দুল ইসলাম ও ডা. একেএম মনিরুজ্জামান এবং সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা পাল আদালতে সাক্ষ্য দেন। পরে আসামি পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন নান্নু, কামরুল হাসান, আহসান উল্যা বেঙ্গেল তাদের জেরা করেন।

আগামী ১৮ আগস্ট মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন চট্টগ্রাম সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার ও হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ মো. শামছুল আলমের সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে।

ডা. ওবায়দুল ইসলাম সাক্ষ্য দেয়ার সময় আদালতকে বলেন, ‘নুসরাত জাহান রাফি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে ৬ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ডা. একেএম মনিরুজ্জামান ও সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা পালের সামনে তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করি।

রাফি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছে। রাফির বক্তব্য লেখা শেষ হলে তা আমি পড়ে শোনাই। তখন তার স্বাক্ষর করার মতো অবস্থা ছিল না, ফলে তার টিপসই নিই।’ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ সাক্ষ্য দেয়ার সময় বলেছেন, ‘গত ১০ এপ্রিল রাতে রাফির মৃত্যু হলে পরদিন পুলিশ কনস্টেবল রমজান আলী মরদেহ নিয়ে এলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।

এ সময় একই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। আমরা সুরতহাল প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করি।’ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় কী পাওয়া গেছে তা তিনি আদালতে তুলে ধরেন।

লিখিত ওই জবানবন্দিতে তিনজনেরই স্বাক্ষর আছে বলে আদালতকে জানান তিনি। ডা. একেএম মনিরুজ্জামান ও সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা পাল আদালতে যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তা মিলে যাওয়ায় ডা. ওবায়দুল ইসলামের সাক্ষ্যটি তাদের সাক্ষ্য বলে গ্রহণ করেন আদালত। ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসার সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা যান তিনি।

উত্তরণবার্তা/এআর
 



কোরবানির মাংসের অন্যরকম হাট!

  আগস্ট ১৩, ২০১৯     ১৩৪৭

পুরনো খবর