দৃষ্টিনন্দন হবে শাহবাগ থেকে ঢাকা মেডিকেল: প্রধানমন্ত্রী     দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে শুদ্ধি অভিযান চলছে : ওবায়দুল কাদের     জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী     চট্রগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ সম্মেলনে ০৬ ক্যাটাগরিতে নোয়াখালী জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন     প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন আজ     নিয়মরক্ষার ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে কাল জিততে চায় জিম্বাবুয়ে     হাওয়া ভবন করে দুর্নীতি-কমিশন বাণিজ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল বিএনপি- তথ্যমন্ত্রী     জানি, কাজটা কঠিন, বাধা আসবেই, তবু করব: প্রধানমন্ত্রী    

ইনডেমনিটি আইন করে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আইনি সুরক্ষা দিয়েছিলেন

  আগস্ট ২৬, ২০১৯     ২৩     ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন     রাজনীতি
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, 'বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার না করে ইনডেমনিটি আইন পাশ করে তাদের আইনি সুরক্ষা দিয়েছিলেন।' রোববার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার না করার জন্য ইনডেমনিটি আইন পাশ করে জিয়াউর রহমান খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলেন। আর পঁচাত্তর পরবর্তী ২১ বছর ধরে বিভিন্ন সরকার বঙ্গবন্ধুর তাদের পুনর্বাসন করে গেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সংবিধানের ৪ মূলনীতিকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। দেশের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পুনঃপ্রবর্তন করা হয়। এই দেশকে আবার নব্য পাকিস্তান বা পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কনফেডারেশন করার পূর্ব পরিকল্পনা নিয়েই ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে ছিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। এ হত্যাকাণ্ড শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনে সীমাবদ্ধ ছিলনা। ক্যু পাল্টা ক্যু'র নামে বিভিন্ন পর্যায়ের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ও নেতৃত্ব দানকারীদের উপর আঘাত হানা হয়েছিল।'

এ সময় ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, '১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দেশকে পাকিস্তানি কায়দায় পরিচালনা করা।' ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ড একসূত্রে গাঁথা বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, '২১ আগস্টের গ্রেনেড হত্যা ছিল রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কারণ তখন খালেদা জিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন।'

আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি সালাউদ্দিন বাদলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস। অনুষ্ঠানে আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পীবৃন্দ শোক সঙ্গীতও পরিবেশন করেন।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর