রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ     প্রধানমন্ত্রী দুবাই যাচ্ছেন কাল     ময়মনসিংহে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণের সময় আটক ১০     মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ তদন্তে আইসিসির অনুমোদন     ইউনেস্কো সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যু: বাংলাদেশ মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত     মিশর-তুরস্ক থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসছে : প্রধানমন্ত্রী     প্রতি উপজেলায় ১০ চিকিৎসক নিয়োগ : ফরহাদ হোসেন     প্রধানমন্ত্রীর দুবাই সফরে ৩ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা : মোমেন    

দুই বছরের মধ্যে গণপরিবহনে দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে

  সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯     ৪৮     ০০:০৯     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে গণপরিবহনে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের কাউন্সিল হলে ‘গণপরিবহনের শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের (আইইবি) পুরকৌশল বিভাগ এবং নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম যৌথভাবে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

ডিএসসিসির মেয়র বলেন, প্রতিদিন শহরে বিভিন্ন দুর্ঘটনা হচ্ছে, এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এসব দুর্ঘটনায় অনেকে প্রাণ হারাচ্ছে, কেউবা হতাহত হচ্ছে। বর্তমান সরকার গণপরিবহন খাতের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আমাকে প্রধান করে কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটি নগরবাসীর কাছে দুই বছর সময় চেয়েছে। এ সময়ের মধ্যে রাজধানীর গণপরিবহন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হবে।

তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে গণপরিবহনের শৃঙ্খলা রক্ষায় ধানমন্ডি-নিউমার্কেট, এয়ারপোর্ট-গুলিস্তান এবং উত্তরায় চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়ায় উত্তরায় চক্রাকার বাস সার্ভিস বন্ধ করা হয়েছে। নতুন করে পুরান ঢাকায় চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করা হবে। এভাবে ধারাবাহিক একটু একটু পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে দুই বছরে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

মেয়র বলেন, বৈঠকে কয়েকটা প্রস্তাব এসেছে, যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে পরিবহন ব্যবস্থাকে বিজনেস মডেলে রূপান্তর করতে হবে। একটা ব্যবসাবান্ধব পরিবহন তৈরি করা গেলে নগরীতে টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এছাড়া, বর্তমানে বাসগুলোর পর্দা, গ্লাস, পাখাসহ আনুসাঙ্গিক কিছু কাজ করা গেলে মানুষ গণপরিবহনমুখী হবেন। আপনাদের ছোট ছোট কিছু উদ্যোগ বা পরামর্শ বাস্তবায়ন করা গেলে গণপরিবহন আরো সুন্দর হবে।

সাঈদ খোকন বলেন, গত এক দশকে যেভাবে নগরীর প্রবৃদ্ধি ঘটেছে, সে অনুযায়ী নগরের সেবাদাতা সংস্থাগুলো প্রবৃদ্ধি ঘটাতে সক্ষম হয়নি। যার ফলে যখন পরিবহনে সমস্যা দেখা দেয়, তখন তা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়। যখন মশাবাহিত রোগ দেখা দেয় তখন তা নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয়। তবে এখন সময় এসেছে সক্ষমতা বাড়ানোর এবং সমন্বয়হীনতা দূর করার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেবাদাতা সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে এবং সমন্বয়হীনতা দূর করতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

আইইবির পুরকৌশল বিভাগের সভাপতি প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানের সভাপত্বিতে গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন আইইবির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মনজুর মোর্শেদ, ঢাকা মহানগর উত্তর ট্রাফিকের ডিসি প্রবীর কুমার রায়, পুরকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশের সভাপতি অমিতোষ পাল, সাধারণ সম্পাদক মতিন আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

উত্তরণবার্তা/এআর
 



কাশ্মীরে রোবট সেনা নামাবে ভারত

  নভেম্বর ১৫, ২০১৯     ৫৪

পুরনো খবর