উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে দুর্নীতি দমনে বিকল্প নেই     ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী     বিএসএফ বাংলাদেশে এসে ‘বাহাদুরি’ দেখিয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী     জরুরি অবতরণে বাধ্য হল অমিত শাহকে বহনকারী হেলিকপ্টার     মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে আলাদা সেল হচ্ছে : এলজিআরডি মন্ত্রী     ঐক্যফ্রন্ট রাজনীতির মাঠে বিগত যৌবনা : তথ্যমন্ত্রী     গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলব্যাগ ও টিফিনবক্স বিতরণ     মানসিকভাবে দুর্বল তরুণরাই নতুন করে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে : মনিরুল ইসলাম    

সিলেটে শিশু নাঈম হত্যা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

  অক্টোবর ১০, ২০১৯     ২১     ০০:৪৪     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিশু নাঈম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে- সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পুরান তেতলী গ্রামের মৃত মো. আফতাব আলীর ছেলে মো. ইসমাইল আলী (২২), একই এলাকার ইছহাক আলীর ছেলে মো. মিঠুন মিয়া (২০), কুয়ারপাড় ভাঙ্গাটিকর এলাকার ১৫ নম্বর বাসার বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে জুনায়েদ হোসেন ওরফে জুনেদ হোসেন ও এবং দক্ষিণ সুরমা থানার দক্ষিণ ভার্থখলা ডি ব্লকের রুবেলের ছেলে বিপ্লব ওরফে বিপলু (১৮)।

এছাড়া মামলার রায়ে অপর অভিযুক্ত পুরান তেতলী গ্রামের মো. ইছহাক মিয়া ওরফে ইছহাক আলীর ছেলে রুবেল মিয়াকে (১৮) খালাস দেয়া হয়েছে।

এই হত্যা মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মো. আব্দুল মালেক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৪ আগস্ট তারাবির নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পথে দক্ষিণ সুরমার লিটল স্টার কিন্ডার গার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মোজাম্মেল হক নাঈমকে অপহরণ করে দুষ্কৃতিকারীরা। এরপর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সন্দেহভাজন হিসেবে ইসমাইল ও মিঠুন নামের দুজনকে ধরে গণধোলাই দিলে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। পরে একটি জঙ্গল থেকে নাঈমের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নাঈমকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে স্বীকার করে ওই দু’জন। এরপর খুনিরা টাকা না পেয়ে তাকে হত্যা করেছে বলে জানায়।

ঘটনার ৬ দিন পর ২০১১ সালের ২০ আগস্ট নাঈমের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ২৬ নভেম্বর দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই মো. হারুন মজুমদার পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ মামলার চার্জশিট জমা দেন।অভিযুক্তদের মধ্যে ইসমাইল ও মিঠুন হত্যকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিল। বাসস

উত্তরণবার্তা/এআর
 



পুরনো খবর