আপনার সন্তানকে নিজ পায়ে দাঁড়াতে দিন : সজীব ওয়াজেদ জয়     ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী     ভারত অভিজিতের জন্য গর্বিত: নরেন্দ্র মোদি     ভারত অভিজিতের জন্য গর্বিত: নরেন্দ্র মোদি     প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান নিয়েছেন: মরক্কোতে আইনমন্ত্রী     ভোলার ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে রঙ ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা     ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ     বিনা খরচে জাপান যেতে যা লাগবে    

মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সচেতনতার দিন আজ

  অক্টোবর ১০, ২০১৯     ২৫     ১২:০১     আরও
--

উত্তরণবার্তা ডেস্ক : মানুষের শারীরিক সুস্থতা তখনই আসবে যখন সে মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ থাকতে পারবে। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যটা থেকে যায় অবহেলাতেই। আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।

১৯৪৮ সালে দেয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ মানসিক স্বাস্থ্য। শারীরিক ও মানসিক উভয়ভাবে নীরোগ থেকে জীবন উপভোগ করা ও সাধ্য অনুযায়ী ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে কিছু করতে পারার সক্ষমতাই মানসিক স্বাস্থ্য। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস (১০ অক্টোবর) হল পৃথিবীর সকলের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতার দিন। এটি ১৯৯২ সালে প্রথমবার পালন করা হয়েছিল।

‘মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও আত্মহত্যা প্রতিরোধ’- এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য। আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে । দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, সেমিনার, আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আগামী প্রজন্মকে মানসিকভাবে সুস্থ ও সুন্দরভাবে গড়ে তুলে একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা করে প্রায় আট লাখ মানুষ। আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য। অধিকাংশ ব্যক্তিই আত্মহত্যার সময় কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত থাকেন। সাধারণত সেটা গুরুত্ব দেয়া হয় না বা মানসিক রোগ নিশ্চিত হলেও যথাযথ চিকিৎসা করা হয় না বলেই আত্মহত্যা বেড়ে যাচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মহত্যার এ হার কমিয়ে আনা সম্ভব।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মানসিক রোগ প্রতিরোধে মনের যত্ন নেয়া আবশ্যক। মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা অন্য সাধারণ রোগীর চেয়ে ভিন্ন ধারার এবং চিকিৎসার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক সমর্থনও এক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে মাদকাসক্তি, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, নগরায়ণসহ পারিবারিক ও সামাজিক নানা অস্থিরতা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।’

প্রদত্ত বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালে ঢাকায় শেরে বাংলা নগরে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে, যা ছিল মানসিক স্বাস্থ্যসেবার অগ্রগতিতে একটি মাইলফলক। দেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্র প্রসারিত করাসহ এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী সাইকিয়াট্রিস্ট, স্কুল সাইকোলজিস্ট, এডুকেশনাল সাইকোলজিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, সাইকিয়াট্রিক সোশ্যাল ওয়ার্কার ও ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়েলফেয়ারসহ সকল মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের আত্মহত্যা রোধে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করার আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে তিনি সব ধরনের সহযোগিতারও আশ্বাস দেন।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর