মোহাম্মদ নাসিমের সুস্থতা কামনায় ১৪ দল     আজিজুর রহমান বাচ্চুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক     অ্যাপে এডিস মশার প্রজননস্থলের ডাটাবেস সংরক্ষণ করবে ডিএনসিসি     দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে : দুদক চেয়ারম্যান     করোনা মোকাবিলায় সরকারের ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত     জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেল ভূমি মন্ত্রণালয়     করোনা কেড়ে নিল আরও ৩০ প্রাণ, শনাক্ত ২৮২৮     হাঁড়িভাঙা আমের বাগান সবার নজর কাড়ছে    

নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অভিযান অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

  অক্টোবর ১০, ২০১৯     ১১০     ১৪:৪৭     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা ডেস্ক : নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় পানি ব্যবহারে যত্নবান হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে রাজধানীর পানি সরবরাহে ওয়াসার দুটি প্রকল্প উদ্বোধন ও একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় নগরবাসীর কাছে নিরাপদ সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে ওয়াসাকে আরও উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দেন তিনি। এ সময় সুপেয় পানির জন্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহার করতে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমাতেও আহবান জানান।

নদী দূষণমুক্ত ও নাব্যতা বজায় রাখাসহ তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় নদী দূষণ রোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীবাসীর পানির চাহিদা মেটাতে পদ্মা (যশলদিয়া) পানি শোধনাগার ফেজ-১, সাভার উপজেলার তেতুলঝরা ভাকুর্তা ওয়েলফিল্ড প্ল্যান্ট প্রথম পর্বের উদ্বোধন ও গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুই প্রকল্প মিলিয়ে এখন ৬০ কোটি লিটার পানি বাড়ল রাজধানীবাসীর।

এর মধ্যে লৌহজং উপজেলার পদ্মা যশলদিয়া পানি শোধন প্ল্যান্টের মাধ্যমে প্রতিদিন ৪৫ কোটি লিটার শোধিত পদ্মা নদীর পানি আসবে ঢাকায়। এছাড়া রাজধানী মিরপুর এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সাভারের তেতুলঝরা-ভাকুর্তা এলাকায় ওয়েলফিল্ড নির্মাণ (১ম পর্ব) প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ১৫ কোটি লিটার পানি পাবে ঢাকাবাসী। দুই প্রকল্প মিলিয়ে এখন ৬০ কোটি লিটার পানি বাড়ল রাজধানীবাসীর।

পদ্মার পানি পদ্মা (যশলদিয়া) পানি শোধনাগারে নিয়ে সেখান থেকে পাইপের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হবে। ৩ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে এ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু কাং-ইল, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর