সপ্তাহের শেষে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে     নরেন দাসকে আমরা হারিয়ে যেতে দিবো না : আইনমন্ত্রী     সৌদি সীমান্তে মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করল হুতিরা     নানা আয়োজনে বান্দরবানে আষাঢ়ী পূর্ণিমা উদযাপন     করোনাকালে রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে রেকর্ড     করোনা আক্রান্ত এমপি সালমা চৌধুরীকে আনা হলো ঢাকায়     আফগান কারাগারে আইএসের হামলা অব্যাহত, নিহত ২৪     টাঙ্গাইলে বন্যার পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু    

নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মাঠে আওয়ামী লীগ

  ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯     ৮৮     ১৪:১৪     রাজনীতি
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্ভাব্য সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রায় ঘোষণা আগে সকাল থেকে দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্নস্থানে সতর্ক পাহারায় দেখা গেছে। সকাল থেকে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফুর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

এর আগে সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার সতর্ক পাহারা বসায় পুলিশ। শুনানিকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল।

বুধবার  বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট এলাকার বাইরে তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। জাতীয় ঈদগাহ, হাইকোর্ট মাজার গেট ও বার কাউন্সিল ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় রায়ের আগে-পরে যে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিল তৎপর। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। সকাল ৯টার আগেই নেতাকর্মীদের বিশাল বহর নিয়ে আসেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন। ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তারেক সাঈদ। ধীরে ধীরে নেতাকমীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ে আসেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের উত্তরের সভাপতি ইসহাক সরকার, ছাত্রলীগ দক্ষিণের সভাপতি মেহেদী হাসান প্রমুখ। নেতাকর্মীদের স্লোগানে স্লোগানে ছিলো রাজপথ দখলে রাখার প্রত্যয়।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের যে কোনো ধরনের নৈরাজ্য ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে রাজপথ দখলে রাখবে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সব ধরনের সাপোর্ট দেবে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগ উত্তরের সভাপতি ইসহাক সরকার বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের বিচার ব্যবস্থার প্রতি নুন্যতম শ্রদ্ধা নেই। তারা আদালত প্রাঙ্গণে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে রাজপথে সজাগ দৃষ্টি রাখতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিচার বিভাগ পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে। খালেদা জিয়ার মামলা- দুর্নীতির মামলা। এখানে সরকারের করার কিছু নেই। খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আদালতের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ নেই। তার জামিন আদালতের বিষয়।

‘খালেদা জিয়ার মুক্তিকে কেন্দ্র করে তারা আন্দোলনের নামে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, আওয়ামী লীগ কিন্তু এখন ঐক্যবদ্ধ সুসংগঠিত একটা সংগঠন। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মত সক্ষমতা আওয়ামী লীগের আছে। এটা পঁচাত্তর সাল নয়, এটা ২০০৪ সালও নয়। চক্রান্তের জবাব দিতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত।”

‘রাজনীতিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব, কিন্তু অরাজনৈতিকভাবে সহিংসতার দিকে গেলে সংঘাতের উস্কানি দিলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুচিত জবাব দেবে’ বলেন ওবায়দুল কাদের।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর