যুক্তরাজ্যে ১ দিনে ৫৬২ জনের মৃত্যু     করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে চার হাজার ক্রুর মধ্যে     প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজের গাইডলাইন প্রকাশ     ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি, অফিস খুলবে ১২ এপ্রিল     রেল-বাস পর্যায়ক্রমে চালু হবে     বৃহস্পতিবার ৩০০ জাপানি নাগরিক টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে     ‌সংক‌টেও রাজনৈতিক ফায়দা লুট‌তে বিএন‌পি অপতৎপরতায় লিপ্ত     রোহিঙ্গা-স্থানীয়দের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ৩৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা    

করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে সেনাবাহিনীর সচেতনতা কার্যক্রম

  মার্চ ২৬, ২০২০     ২২     ১৫:১৫     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল জেলায় এবং প্রান্তিক পর্যায়ে লিফলেট ও প্ল্যাকার্ডসহ মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস বর্তমানে বাংলাদেশের সংক্রমণ এবং বিস্তৃতির ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের সকল জেলায় চলছে সশস্ত্র বাহিনীর এই কার্যক্রম।

এই কার্যক্রমের আওতায় জন সচেতনতা সৃষ্টিতে পায়ে হেঁটে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে যাচ্ছে তারা। প্ল্যাকার্ড নিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করছে সেনা বাহিনী। সেখানে কারো হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা 'ঘনঘন হাত ধুই, করোনা থেকে নিরাপদ রই'। অপর এক প্ল্যাকার্ডে লেখা 'বিদেশ থেকে এসেছি যারা, কোয়ারেন্টাইনে থাকব তারা'। এ ছাড়াও করোনা নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে লেখা অপর এক প্ল্যাকার্ডে বলা হয়েছে 'আতঙ্ক না ছড়াই, সতর্ক থাকি সাহায্য করি'।

করোনা থেকে রক্ষা পেতে কিভাবে চলাফেরা করতে হবে সে বিষয়ে লিফলেটও বিতরণ করা হয়। সেই সঙ্গে সকলকে ঘর থেকে অকারণে বাহিরে বের না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

একইভাবে উপকূলীয় অঞ্চলেও সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী।

'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় ২৪ মার্চ থেকে দেশের সকল বিভাগ এবং জেলায় করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেনা মোতায়েনের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষে ২৫ মার্চ থেকে সেনাবাহিনী পুরোপুরি কাজ শুরু করে।

সেনাবাহিনীর সদস্যরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গের তালিকা প্রস্তুত এবং বিদেশ হতে প্রত্যাগত ব্যক্তিবর্গের কোয়ারেন্টাইনে থাকা নিশ্চিত কল্পে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সমূহে সহায়তা ও সমন্বয় করছে। এ ছাড়াও সেনাবাহিনী বিভাগ এবং জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করবে।

নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় কাজ করবে। বিমান বাহিনী হাসপাতালের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী ও জরুরী পরিবহন কাজে নিয়োজিত থাকবে।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর