আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস আজ     নাটকীয়ভাবে ফ্রান্সে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা     ব্রাজিলে করোনায় দৈনিক আক্রান্তের রেকর্ড     বাড়ি বাড়ি প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে প্রাথমিকের পরীক্ষার পরিকল্পনা     ‘বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে’     করোনার সংক্রমণ বাড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আবারও কড়াকড়ি     ডাকঘর সঞ্চয়ে ২০ লাখ টাকার বেশি রাখা যাবে না     শর্তসাপেক্ষে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন অফিস ও গণপরিবহন চালু    

আম্ফানের প্রভাবে চট্টগ্রামে থেমে থেমে বৃষ্টি

  মে ২১, ২০২০     ২৭     ১১:২৮     আরও
--

উত্তরণবার্তা  প্রতিবেদক : সুপার সাইক্লোন আম্ফানের প্রভাবে চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার প্রায় সব উপজেলায় বুধবার রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

তবে এই ঘূর্ণিঝড় ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় জেলায় আঘাত হানলেও চট্টগ্রামে বড় কোন প্রভাব ফেলেনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল পর্যন্ত নগরী ও জেলার কোথাও কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ইতোমধ্যে দুর্বল হয়ে গেছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় জেলায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার সবগুলো উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলা, তিন পার্বত্য জেলায় থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কখনো মুশলধারে আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছে সর্বত্র। আবহাওয়া দপ্তর এ পর্যন্ত ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছেন।

তবে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকফুট বেশি উচ্চতায় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড়ে চট্টগ্রামে জেলায় উল্লেখযোগ্য কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এরপরও বিভিন্ন উপজেলা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে কাজ করছে প্রশাসন। গতকাল বুধবার থেকে ঝুঁকিতে থাকা শতাধিক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা গেছে, বন্দরের জেটি এখন পুরোপুরি জাহাজশূন্য। সব জাহাজকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পুরোপুরি কেটে গেলে জাহাজ ফিরিয়ে আনা হবে এবং বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হবে।

উত্তরণবার্তা/এআর

 



পুরনো খবর