প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় থাকবে বাংলাদেশ ততদিন নিরাপদ থাকবে : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী     এবার লাদাখে দল বেঁধে উড়ল যুদ্ধবিমান, মিলিটারি হেলিকপ্টার     হাতিয়ায় পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে থৈ থৈ     তদবির নয়, বদলি হবে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে : আইজিপি     যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা বার্ষিকীতে ট্রাম্পকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা     করোনায় সারাদেশে এক কোটি ৬৮ লাখ পরিবার পেয়েছে সরকারি ত্রাণ     করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছুঁই ছুঁই, আক্রান্ত ৩২৮৮     কমেছে যমুনা-বাঙ্গালী নদীর পানি    

মশার লার্ভা পাওয়ায় ৮ বাড়ির মালিককে ডিএনসিসির ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা

  জুন ০৬, ২০২০     ৫১     ১৯:৩৩     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৮টি বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছ থেকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি)।
এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে আজ ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান বা চিরুনি অভিযান কালে এ জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানের প্রথম দিনে ৫৪টি ওয়ার্ডে মোট ১১ হাজার ৯৬৯ টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ১৩১টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৮ হাজার ৩৮০টি বাড়ি বা স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৮টি বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছ থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মোট ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অন্যান্য বাড়ি ও স্থাপনার মালিককে সতর্ক করা হয়।
লার্ভা পাওয়া স্থানগুলো হচ্ছে- পরিত্যক্ত টায়ার, বালতি, ফুলের টব, বোতল, পানির মিটার, গ্যারেজ, পানির হাউজ, মাটির পাত্র, ভাঙ্গা মগ, বাড়ির মেঝে, পানির ট্যাংক, প্লাস্টিকের পাত্র, ছাদের ড্রেন, দইয়ের পাত্র, পরিত্যক্ত কমোড, ডাবের খোসা, ভাঙ্গা পাতিল, বেইজমেন্ট ও দুই বাড়ির মধ্যবর্তী স্থান।
১০ দিনব্যাপী এ অভিযান শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে। চিরুনি অভিযান পরিচালনার উদ্দেশে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। আবার প্রতিটি সেক্টরকে ১০টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডের ১টি সেক্টরে অর্থ্যাৎ ১০টি সাবসেক্টরে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। এভাবে আগামী ১০দিনে সমগ্র ডিএনসিসিতে চিরুনি অভিযান সম্পন্ন করা হবে।
প্রতিটি সাবসেক্টরে ডিএনসিসির ৪ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ১ জন মশক নিধনকর্মী, অর্থাৎ প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ৪০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ১০ জন মশককর্মী ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন বাড়ি, স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কোথাও এডিস মশার লার্ভা আছে কিনা, কিংবা কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে আছে কিনা, কিংবা ময়লা-আবর্জনা আছে কিনা, যা এডিস মশার বংশবিস্তারে সহায়ক, তা পরীক্ষা করছে। আজ থেকে চলমান এই চিরুনি অভিযানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ৯জন কীটতত্ববিদ, ডিএনসিসির ৩ জন কীটতত্ববিদ, স্বাস্থ্য বিভাগ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তাগণ প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডিএনসিসির চিরুনি অভিযানসহ এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছে।
চিরুনি অভিযান চলাকালে যেসব বাড়ি মও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা কিংবা এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে, তার ছবি, ঠিকানা, মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি অ্যাপে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে চিরুনি অভিযান শেষে ডিএনসিসির কোন কোন এলাকায় এডিস মশা বংশবিস্তার করে তার একটি ডাটাবেস তৈরি হবে। ডাটাবেস অনুযায়ী পরবর্তীতেও তাদেরকে মনিটর করা সহজ হবে।
অভিযান চলাকালে সকল এলাকাতেই এলাকাবাসীকে এডিস মশার বিস্তার রোধে সচেতন করা হয় এবং জরুরি প্রয়োজনে রাস্তায় বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধানসহ সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।

উত্তরণবার্তা/দীন 



পুরনো খবর