ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে অর্ধলক্ষাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে : কৃষিমন্ত্রী     রেল সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর     ৮ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকা ও সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক     জেএসসি’র ‘বিজ্ঞান’ পরীক্ষা বুধবার ও ‘গণিত’ পরীক্ষা বৃহস্পতিবার     নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেয়া হবে     ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক     ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত     সম্প্রচারের অপেক্ষায় ১১ টিভি চ্যানেল : হাছান মাহমুদ    

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন দ্রুতগামী ট্রেন: দীপু মনি

  মার্চ ০২, ২০১৯     ১৩২     ৬:৩৪ অপরাহ্ণ     শিক্ষা
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আগে বলা হতো— এটা মালটানা রেলগাড়ির মতো। এটি এখন একটি দ্রুতগামী ট্রেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে 'কলেজ পারফরমেন্স র‌্যাংকিং ২০১৬ ও ২০১৭' অ্যাওয়ার্ড ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীপু মনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ লাখ। এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আগে অনেক নেতিবাচক তথ্য জানা যেত। কিন্তু বর্তমান উপাচার্যের নেতৃত্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় আজকে ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। তবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিষয়ে মৌলিক বই রচনা করতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে নোট-গাইডের বেশ প্রাধান্য। সেটি রোধ করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারাবছর কোনো না কোনো পরীক্ষা থাকে। এতে পাঠদান ব্যাহত হয়। তাই শুধু পরীক্ষার জন্য কেন্দ্র নির্মাণ করা যেতে পারে, যেখানে শুধু পরীক্ষাই হবে, অন্য কোনো কিছু নয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন যেসব কলেজ আছে সেসব কলেজের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় মানের শিক্ষা লাভ করতে পারে, সেই উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে প্রত্যেকটি বিভাগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস করা যায় কি না সেটা নিয়েও পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় মানের শিক্ষা লাভ করতে পারবে।

শিক্ষকদের শুধু চাকরির মানসিকতা নিয়ে পাঠদান করলে হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে পাঠদান করতে হবে। শুধু চাকরি হিসেবে কাজ করলে হবে না। বর্তমান সময় তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। শিক্ষার্থীদেরকে তথপ্রযুক্তির সহায়তাও শিক্ষা দান করা যায়। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল চ্যালেঞ্জ ছিল সেশনজট নির্মূল করা, ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে সেই সেশনজট দূর করা হয়েছে।

উত্তরণবার্তা/দীন



হাড়ের শক্তি বাড়াবে যেসব খাবার

  নভেম্বর ১২, ২০১৯     ৪৮৬

পুরনো খবর