ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা     শিক্ষা সেবা সহজ করতে পদ্ধতিগত পরিবর্তন আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী     বিদেশে ১৩টি মিশনে নিজস্ব চ্যানসারী ভবন রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী     বাজেটের ১৪.২১ শতাংশ সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ : পরিকল্পনামন্ত্রী     বিদেশে ১৩টি মিশনে নিজস্ব চ্যানসারী ভবন রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী     এ বছর সীমান্তে ৭২৮,৭৫,৪২,৪৩৫ টাকা মূল্যের চোরালানী পণ্য আটক হয়েছে : স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী     আফগানদের ২৬৩ রানের চ্যালেঞ্জ দিল টাইগাররা     সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়ে টিআইবি’র প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় প্রত্যাখ্যান    

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের নেটওর্য়াক দুর্বল হয়ে পড়েছে : মনিরুল ইসলাম

  এপ্রিল ২৩, ২০১৯     ৩৩     ৭:০২ অপরাহ্ণ     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের নেটওর্য়াক দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই। তাদের তৎপররতা নেই বললেই চলে। তাদের নেটওর্য়াক দুর্বল হয়ে গেছে। তারপরও যেকোন ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’ আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মিট উইথ মনিরুল ইসলাম’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, এদেশে জঙ্গি কার্যক্রম, উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ দমনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সংস্থাসমূহের সাথে সমম্বয় রয়েছে। ভবিষ্যতে এই সমন্বয় আরো মজবুত হবে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। কোন দেশ, জাতি ধর্মের সাথে এটাকে সম্পৃক্ত করা যাবে না। উন্নয়নশীল, অনুন্নয়নশীল এবং উন্নত কোন দেশই এ সন্ত্রাসের থাবা থেকে নিরাপদ নয়। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সাম্প্রতিককালে শ্রীলঙ্কায় বর্বর সন্ত্রাসী হামলা একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। আমাদের দেশে এরূপ জঙ্গি বা সন্ত্রাসী হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা জঙ্গিদের নেই। আমরা এ বিষয়ে তৎপর রয়েছি।’
আপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে মূলত ২০১৪ সালের শেষদিকে কতিপয় লোক ‘আইএস’ এ যোগদান করেছে বলে কথিত আছে। আমাদের ধারণা মতে তাদের কেউ ধরা পড়েছে, কেউ নিহত হয়েছে অথবা কেউ চিহ্নিত হয়েছেন। তারা যদি এখন দেশে ফিরতে চায় তাহলে তাদেরকে অবশ্যই এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে ফিরতে হবে। এর জন্য তাদের পাসপোর্ট লাগবে। যেহেতু তারা ২০১৪ সালের শেষের দিকে গিয়েছে তাদের পাসপোর্টের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা। দেশে ফিরতে হলে তাদেরকে নতুন করে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে।’
মনিরুল ইসলাম বলেন, সিরিয়াসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে প্রাপ্ত পাসপোর্ট আবেদনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে পাসপোট দেয়া হচ্ছে। তাই আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাদের দেশে আসা সম্ভব নয়। এরপরও কেউ যদি ফিরে আসতে চায় তাহলে এয়ারপোর্টেই গ্রেফতার করা হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশের কারাগারে জঙ্গীরা রেডিক্যলাইজড হচ্ছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে যাদের নামে মামলা হয়, তাদের পৃথক কারাগারে রাখা হয়। শুধু কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে যখন তাদের আদালতে নেয়া হয়, তখনই অন্যান্য আসামীদের সাথে দেখা হয়। এর বাইরে অন্য আসামীদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ নেই। সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিচারের জন্য ২টি সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইবুন্যাল গঠন করা হয়েছে। তাদের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্মভিত্তিক জঙ্গিবাদের আমদানিকারকরা চিহ্নিত হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথম দিকে যারা আফগানিস্তান গিয়েছিল তারাই দেশে ফিরে ধর্মীয় ও সহিংসতাভিত্তিক জঙ্গিবাদের সূচনা করেছে। প্রথমদিকের এসব আমদানিকারকদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারো কারো ফাঁসি হয়েছে। কয়েকজন হয়তো পলাতক রয়েছে তবে সবাই চিহ্নিত। বাংলাদেশে আইএস’র খলিফা নিয়োগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আইএস এর নিজস্ব দাবি। বাংলাদেশ তাদের কোন খলিফা নাই।
অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। তারা দীর্ঘদিন এ দেশে থাকলে সোশ্যাল ডিজঅর্ডারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে যেতে পারে। তাদের দেশে পাঠাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। রোহিঙ্গারা তাদের বাড়িঘর ও পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছে, তারা ভবিষ্যতে উগ্রবাদের জড়িয়ে পড়তে পারে। তবে দেশের সকল গোয়েন্দা সংস্থা তাদের তীক্ষè নজরদারিতে রেখেছে। তাদের জঙ্গিবাদে জড়ানোর কোন সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস দমনে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি সবসময় ছিল। ২০১৬ সালে হলি আর্টিসানে হামলার পর এই জিরো টলারেন্স নীতি প্রধানমন্ত্রী পুনঃব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে ক্র্যাব সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক দীপু সারওয়ার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস্ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমানসহ ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ ও সিটিটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উত্তরণবার্তা/দীন



গ্রিল স্বাদে মুখরোচক চিকেন

  জুন ১৭, ২০১৯     ৩৬১

শীর্ষে ‘স্লো মোশন’

  জুন ১৫, ২০১৯     ৩৪২

পুরনো খবর